কলকাতা, ২৪ মে ২০২৬: আত্ম-উন্নয়ন, বাস্তব জীবনের শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে লেখক রাজীব কে পোদ্দার প্রকাশ করলেন তাঁর নতুন বই জিরো থেকে হিরো। বইটি পাঠকদের ব্যক্তিগত উন্নয়ন ও আত্ম-পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন সাহিত্যপ্রেমী ও বিশিষ্টজনেরা। বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে, কীভাবে একজন মানুষ অন্যদের জীবনের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম এবং সাফল্যের গল্প থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে। একই সঙ্গে সাধারণ ভুল এড়িয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার বাস্তবধর্মী দিকনির্দেশনাও রয়েছে এতে। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লেখক রাজীব কে পোদ্দার বলেন, “এই বইটি শুধুমাত্র একটি অনুপ্রেরণামূলক গ্রন্থ নয়, বরং জীবনের বাস্তব শিক্ষা ভাগ করে নেওয়ার একটি প্রয়াস। আমি চাই পাঠকরা অন্যদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনুক এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাক।” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মি. কুইন ইয়ং। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. পি কে সাহা, সু...
হিন্দুস্তান ক্লাব লিমিটেডের ৮১তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন কলকাতা: হিন্দুস্তান ক্লাব লিমিটেড-এর ৮১তম প্রতিষ্ঠা দিবস সম্প্রতি এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সি.ভি. আনন্দ বোস, পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল। এছাড়াও ক্লাবের সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। আট দশকেরও বেশি ঐতিহ্য বহনকারী এই ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল তাঁর বক্তব্যে ক্লাবের ঐতিহ্য, সামাজিক সংহতি এবং প্রগতিশীল মানসিকতার প্রশংসা করেন। ক্লাবের সভাপতি সঞ্জয় গোয়েঙ্কা বলেন, ৮১তম প্রতিষ্ঠা দিবস কেবল অতীতের সাফল্যের উদযাপন নয়, ভবিষ্যতের প্রতি নতুন অঙ্গীকারও। তিনি আগামী দিনে ক্লাবের ঐতিহ্য ও উৎকর্ষ আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ক্লাবের দীর্ঘ যাত্রাপথের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত তুলে ধরা হয়, যা উপস্থিত সকলের কাছে দিনটিকে স্মরণীয় করে তোলে।
এমার্জেন্সি গেট বন্ধ, ঝুঁকিতে যাত্রী নিরাপত্তা কলকাতা শহরের বিভিন্ন পাবলিক বাসে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি সামনে আসছে। দেখা যাচ্ছে, বাসের নির্ধারিত এমার্জেন্সি গেটের সামনে বসার সিট বসানো হয়েছে, ফলে জরুরি অবস্থায় সেই গেট ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। দুর্ঘটনা বা আগুন লাগার মতো পরিস্থিতিতে দ্রুত বেরিয়ে আসার জন্য এমার্জেন্সি গেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেটি অবরুদ্ধ থাকায় যাত্রীদের প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়ছে। এই ধরনের অব্যবস্থাপনা সরাসরি যাত্রী নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, অবিলম্বে বাসগুলিতে এমার্জেন্সি গেট খালি ও কার্যকর রাখতে হবে এবং নিয়মিত তদারকি বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন দপ্তর-এর হস্তক্ষেপ জরুরি। যাত্রী নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
Comments
Post a Comment